ঢাকা, রবিবার, ২২শে মে, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, ৮ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ২১শে শাওয়াল, ১৪৪৩ হিজরি, দুপুর ২:৩৬
বাংলা বাংলা English English
শিরোনাম:

রবিবার, ২২শে মে, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, ৮ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

পত্নীতলায় আশ্রয়ন প্রকল্পের নির্মাণাধীন ঘরের উপর সন্ত্রাসী হামলা


নওগাঁর পত্নীতলায় প্রধানমন্ত্রীর উপহার আশ্রয়ন প্রকল্পের নির্মাণাধীন ঘরের উপর সন্ত্রাসী হামলার অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে পত্নীতলা থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মামলা সূত্রে জানা যায়, শাহ আলম প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ন প্রকল্পের পত্নীতলা উপজেলার কৃষ্ঞপুর ইউনিয়নে নির্মাণাধীন ঘরের রাজমিস্ত্রী হিসাবে নিযুক্ত ছিলেন। দীর্ঘদিন থেকে রাজমিস্ত্রী শাহ আলম এর সাথে স্ত্রী ইয়াসমিন তারার সাথে সাংসারিক ঝগড়া বিবাদ লেগে থাকে। গত বুধবার ( ১১ ই মে ) আনুমানিক সকাল ১০ টায় স্ত্রী ইয়াসমিন তারা ভারাটিয়া লোকজন নিয়ে তার উপর আক্রমন করে। ৫ জনের নাম উল্লেখ করে ও ১৪-১৫ জনকে অঙ্গাত করে মামলা পত্নীতলা থানায় মামলা দায়ের করে। মামলা নং ১৩/১৫৪ , ৫ জন আসামীর নাম যথাক্রমে ১. মধুইল এলাকার ছয়েফ উদ্দিনের ছেলে মো: মোরসারিন, ২ ও ৩.পিয়ার আলীর স্ত্রী ফাতেমা কুম ও মেয়ে মোছা: ইয়াসমিন তারা উভয় সাং: গুপিনগর, ৪. মধুইল এলাকার বেলাল হোসেন এর ছেলে মো: আরাফাত হোসেন, ৫.বালাহার গ্রামের আহসান হাবিব। এ বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দা সুজিন, শ্রী মতি লতা রানী, শষ্টি, পপি, কাজলী, আয়েশা ও সীতা রানী বলেন, গত মঙ্গলবারে রাতে রাজমিস্ত্রী শাহ আলমের স্ত্রী ৪-৫ জন ছেলেকে এনে ধরণের উঠিয়ে নিয়ে যাবার হুমকি- ধামকি দেয়। তখন রাজমিস্ত্রী শাহ আলম হাত পা ধরে অনুরোধ করলে ধাক্কা- ধাক্কি ও চর থাপ্পর মারতে লাগলে আমরা সবাই চলে আসি, আমাদের দেখে ভয়ে
চলে যায় ও যাবার সময় আরাফাত নামের একজন ছেলে বলে তোকে দেখে নিবো। পরের দিন বুধবার সকাল আনুমানিক ৯/১০ পায় তার স্ত্রী আবার ঐ ৪/৫ জন ছেলেকে নিয়ে এসে কোন কথা না বলেই লাঠি নিয়ে তেঁরিয়ে আসতে লাগলে রাজমিস্ত্রী শাহ আলম আশ্রয়ন প্রকল্পের নির্মাণাধীন ১০ নং ঘরে আশ্রয় নেয়। সেই সময় আমরাও প্রতিবাদ করলে আরাফাত নামের ছেলেটি ফোন দিয়ে আরো ১০/১৫ জন ছেলেকে ডেকে এনে শাহ্ আলম কে ঘর থেকে বের করে মারধর শুরু করে। ঘর থেকে বের করার সময় দরজা ভাঙ্গে, জানালা ও ঘরের টিনে লাঠি দিয়ে হামলা করে আমাদের ভয় দেখানোর জন্য। আশে পাশের সবাই আসতে শুরু করলে তারা পালিয়ে যায়। আরা উদ্ধার করে নজিপুর সরকারী হাসপাতালে ভর্তি করাই। কিন্তু ভালো
চিকিৎসা ও নিরাপত্তা না পাওয়াই ধামইরহাট হাসপাতালে পাঠায়ে দিই। এ বিষয়ে পত্নীতলা উপজেলার ভারপ্রাপ্ত নিবার্হী কর্মকর্তা ও সহকারী কমিশনার ( ভুমি ) মো: রাশেদুল ইসলাম বলেন,
বিষয়টি জানতে পাওয়ার সাথে সাথে আমি তাদের কে আটকিয়ে রাখতে বলে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখি তারা পালিয়ে গেছে। আমাদের রাজমিস্ত্রী শাহ আলম বাদী হয়ে পত্নীতলা থানায় একটি মামলা দায়ের করেছে। আইনগত ভাবেই তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহল করা হবে। পত্নীতলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মতর্কা ( ওসি ) শামছুল আলম শাহ জানান, এ বিষয়ে পত্নীতলা থানায় ৫ জনের নাম উল্লেখ করে ও অঙ্গাত ১৪/১৫ জনকে আসামী করে একটি মামলা দায়ের হয়েছে। ইতিমধ্যে ১ নং আসামীকে আটক করে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

সব খবর