ঢাকা, বুধবার, ৬ই জুলাই, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, ২২শে আষাঢ়, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ৭ই জিলহজ, ১৪৪৩ হিজরি, রাত ৪:৫১
বাংলা বাংলা English English

বুধবার, ৬ই জুলাই, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, ২২শে আষাঢ়, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

মাদক,জঙ্গিবাদ,ইভটিজিং ও
বাল্যবিবাহরোধে সচেতন করতে অগ্রণী ভূমিকা রাখছেন হরিণাকুন্ডু থানার ওসি


ঝিনাইদহের হরিণাকুন্ডুর প্রত্যেক বিদ্যালয়ে ও কলেজের শ্রেণিকক্ষে গিয়ে মাদক,জঙ্গিবাদ,ইভটিজিং আত্মাহত্যা,মোবাইল ফোনে প্রতারণা ও নারী অধিকার সহ বাল্যবিবাহরোধে সচেতনতামূলক সভা করবেন হরিণাকুন্ডু থানার ওসি মহাদয়।
এই ধারা বজায় রেখে গতকাল বুধবার -২২/০6/২২ খ্রিঃ ঝিনাইদহ হরিণাকুণ্ডু উপজেলার হরিণাকুন্ডু পৌরসভা সালেহা বেগম মহিলা ডিগ্রী কলেজের সকল শ্রেণির শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন । সেখানে সচেতনামুলক ক্লাস করান হরিণাকুন্ডু থানা অফিসার ইনচার্জ জনাব মোঃ সাইফুল ইসলাম। এ সময় তিনি বলেন, মাদক, বাল্যবিয়ে, পালিয়ে বিয়ে করা, কিশোর গ্যাং, মোবাইল ফোন ব্যবহার, ইভটিজিং ইত্যাদি চলমান সামাজিক সমস্যা প্রতিরোধে সচেতনতা সৃষ্টির জন্য তোমাদের সাথে কথা বলতে এসেছি। দিন দিন এসব সমস্যা প্রকোট আকার ধারণ করছে। সবাইকে বলছি, সবার আগে নিজের এবং পরিবারের ভালো বুঝতে শিখুন।

জনাব সাইফুল ইসলাম স‍্যার আরও বলেন, সবাই আমার সঙ্গে শপথ করো, কখনো প্রেম করে পালিয়ে যাবে না, পরিবারকে কষ্ট দেবে না। ইভটিজিং, বাল্যবিয়ে, অসম প্রেম, অপ্রাপ্ত বয়স্ক কিশোর-কিশোরীদের পলায়ন সমাজে ব্যাধি হিসেবে যেনো রুপান্তরিত না হয়, এ কারণেই সবাইকে সচেতন হতে হবে। পর্যায়ক্রমে সব বিদ্যালয় ও কলেজে এ ধরনের সচেতনমূলক ক্লাস ও শপথের আয়োজন করা হবে।

গণমাধ্যম কর্মীদের তিনি বলেন,আইনে বাল্যবিবাহকে অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। যেকোনো মূল্যে এটা প্রতিহত করতে হবে। বাল্যবিবাহ একটি মেয়ের বড় হওয়ার পথে সবথেকে বড় বাধা। অপ্রাপ্ত বয়ষে পালিয়ে গিয়ে নানা সমস্যার মধ্যে পড়তে হয়। সবাইকে বোঝাতে হবে, লেখাপড়া শেষ করে নিজের পায়ে দাঁড়ানোর পরই মেয়েদের বিয়ে করা উচিত। তাই এমন সচেতনামুলক ক্লাসের আয়োজন করা হয়েছে। এ সময় সালেহা বেগম ডিগ্রী কলেজের প্রভাষক সহ অধ্যাপক সহকারী অধ্যক্ষ মন্ডলী ও ম্যানেজিং কমিটির সদস্য সহ হরিণাকুন্ডু থানার পুলিশ সদস্যরা সহ সাংবাদিকগণ উপস্থিত ছিলেন।

সব খবর