ঢাকা, বুধবার, ১০ই আগস্ট, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে শ্রাবণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ১২ই মহর্‌রম, ১৪৪৪ হিজরি, রাত ৮:৪৩
বাংলা বাংলা English English

বুধবার, ১০ই আগস্ট, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে শ্রাবণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

অভিবাসী শ্রমিক নিয়ে মন্তব্য করে সমালোচনার মুখে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী


অভিবাসী শ্রমিকরা মালয়েশিয়ানদের খাদ্য ভর্তুকি উপভোগ করছেন- এমন মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী ইসমাইল সাবরি ইয়াকুব সমালোচনার মুখে পড়েছেন।

প্রধানমন্ত্রীর এমন মন্তব্যে ৪ জুলাই সোমবার সমালোচকরা এক বিবৃতিতে বলেছেন, অভিবাসী কর্মীরা মালয়েশিয়ায় বিনামূল্যে বসবাস করছে না। বিলিয়ন বিলিয়ন রিঙ্গিত লেভি এবং ট্যাক্সে অভিবাসী শ্রমিকরা অবদান রাখছেন।

সেলাঙ্গরের পারসাতুয়ান সাহাবাত ওয়ানিতার (মহিলা সমিতি) নির্বাহী পরিচালক জেভিয়ার বলছেন, মালয়েশিয়ায় অভিবাসীদের কাজ করার জন্য অভিবাসন বিভাগকে শুল্ক দেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রীর এমন বিবৃতি অন্যায্য।

২০২২ সালের বাজেটের প্রাক্কলন অনুসারে- অভিবাসী শ্রমিকদের কাছ থেকে শুল্ক সংগ্রহ এই বছর প্রায় ১.৭ বিলিয়ন হবে বলে অনুমান করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী যা বলছেন তা ভিত্তিহীন।

জেভিয়ার বলছেন, প্রধানমন্ত্রী অবশ্যই আমাদের জানাতে হবে যে সমস্ত শুল্ক কোথায় যায়। তাদের থেকে কারা উপকৃত হয়েছে? আমি নিশ্চিত যে এটি অভিবাসী নয়।

২ জুলাই শনিবার প্রধান মন্ত্রী একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্যকালে বলেছেন- বাংলাদেশি অভিবাসী শ্রমিক এবং রোহিঙ্গা শরণার্থীরা মালয়েশিয়ার করদাতাদের অর্থায়নে খাদ্য ভর্তুকি থেকে উপকৃত হচ্ছেন।

জেভিয়ার বলছেন- প্রধানমন্ত্রী ভুলে গিয়েছেন যে, অভিবাসী সম্প্রদায় কঠোর পরিস্থিতিতে কম বেতনের জন্য মালয়েশিয়ানরা যে কাজগুলো করে না, অভিবাসী শ্রমিকরা করে অর্থনীতিকে সচল রেখেছে।

নর্থ-সাউথ ইনিশিয়েটিভের আদ্রিয়ান পেরেইরা বলেন, অভিবাসী শ্রমিকরা এক অর্থে মালয়েশিয়ানদের বিক্রয় কর, অভিবাসী শ্রমিক নিয়োগের খরচ এবং ভাড়া ও ইউটিলিটি বিলের মাধ্যমে ভর্তুকি দিচ্ছে।

অভিবাসী অধিকার বিশেষজ্ঞ অ্যান্ডি হল বলেছেন, প্রধানমন্ত্রীর মন্তব্যটি “গটার পলিটিক্স” হিসেবে পরিগণিত। কারণ অভিবাসী শ্রমিকরা দেশে অনেক অবদান রেখেছেন।

সব খবর