ঢাকা, সোমবার, ৮ই ডিসেম্বর, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ, ২৩শে অগ্রহায়ণ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ১৭ই জমাদিউস সানি, ১৪৪৭ হিজরি, বিকাল ৩:৪২
বাংলা বাংলা English English

বইমেলার প্রবেশদ্বারে ‘চোর-পুলিশ’ খেলা


বইমেলার টিএসসি অভিমুখে প্রবেশদ্বার পাঠক ও দর্শনার্থীদের চাপে বিকেল থেকেই জনাকীর্ণ থাকে। তবে এ প্রবেশদ্বারে বাড়তি ঝামেলা হিসেবে আসে হকাররা। ফলে মানুষের চলাচল স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ এবং হকারদের মাঝে চলে ‘চোর-পুলিশ’ খেলা।

বুধবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) বইমেলা প্রাঙ্গণে এমনটাই দেখা যায়। প্রতিদিনের মতো আজও পাঠক-লেখক এবং দর্শনার্থীদের পদচারণায় মুখরিত মেলা। আর মেলার প্রবেশপথেই ভিড় হকারদের।

বিকেল থেকেই ঝালমুড়ি, ফুচকা, চুড়ি এবং বাহারি রকমের জিনিসপত্র নিয়ে হকাররা বইমেলার প্রবেশদ্বারে অস্থায়ী মেলা বানানোর চেষ্টা করেন। তবে শুরু থেকেই ছিল পুলিশি বাঁধা।

হকাররা বসার কিছুক্ষণ পরই তাদের উচ্ছেদ করে দেয় পুলিশ। তবে কিছুক্ষণ পর পুলিশ চলে গেলে আবার হকাররা চলে আসেন, জমে ওঠে বেচাকেনা। পুলিশ আবার এসে তাদের উঠিয়ে দেয়।

 

দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরা জানান, বইমেলার প্রবেশদ্বার পাঠক ও দর্শনার্থীদের চলাচল সুন্দর ও সুশৃঙ্খল রাখতে পুলিশ তাদের উঠিয়ে দিচ্ছে।

এদিকে হকারদের দাবি, তাদের কারণে বইমেলায় পাঠকদের চলাচল বাধাগ্রস্ত হচ্ছে না। বইমেলাকে কেন্দ্র করে পণ্য বিক্রি করতে তারা এখানে এসেছেন। কিন্তু তাদের বারবার উঠিয়ে দেয়া হচ্ছে।

নিলয় আহমেদ নামে এক ফুচকা বিক্রেতা নির্ধারিত স্থান চেয়ে বলেন, ‘আমরা তো আর চুরি করি না। এখানে আমাদের একটু বসতে দিলে আমরাও আয় রোজগার করতে পারি। আমাদের এখানে বসতে না দিলে বইমেলার এক পাশে আমাদের বসার ব্যবস্থা করে দিলেই হয়।’

যদিও দর্শনার্থীরাও হকার পুরোপুরি উচ্ছেদের পক্ষে নয়। তাদের দাবি, চলাচলের পথ স্বাভাবিক রেখে মেলার কোনো একটা নির্দিষ্ট জায়গায় তাদের বসার ব্যবস্থা করতে। এতে মেলায় প্রবেশ ও বের হওয়ার পথ পরিষ্কার থাকবে, আবার হকাররাও তাদের ব্যবসা করতে পারবে।

সব খবর