ঢাকা, শনিবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, ২৯শে আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ, ৭ই মহর্‌রম, ১৪৪৬ হিজরি, সকাল ৮:০৫
বাংলা বাংলা English English

ইনজেকশন নিয়েছেন তামিম!


বেশ কয়েক মাস ধরেই ‘রহস্যময়’ ইনজুরি পিছু হটছে না তামিম ইকবালের। কখনও কোমরে বা পিঠে, আবার কখনও হাতের পুরো কবজিতেই ফিরছে পুরোনো চোট। বেশ কয়েক বছর ধরেই প্রতিটি সিরিজের আগে এই ওপেনারের ইনজুরি দেশের গণমাধ্যমে নিয়মিত সংবাদ।

হোম ভেন্যুতে আফগানিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের আগেও একই ধাঁচের সংবাদ দেশের আসে গণমাধ্যমে। এমনকি আফগানদের বিপক্ষে সিরিজের আগেই হঠাৎ করেই অবসরের ঘোষণা দেন দেশের অন্যতম সেরা এই ওপেনার। তবে ২৮ ঘণ্টা পরই অবসর ভেঙে ক্রিকেটে ফেরার কথা জানান।

এদিকে দীর্ঘদিন চিকিৎসা চললেও পুরোপুরি সেরে উঠছে না তামিম। এজন্য স্থায়ী সমাধান পেতে অস্ত্রোপচার করার কথা ভাবছিলেন ওয়ানডে দলপতি। তবে এখনই সেই পথে হাঁটছেন না চট্টগ্রামের এই ক্রিকেটার।

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সূত্রের বরাতে গণমাধ্যমে গুঞ্জন, দ্রুত সময়ে মাঠে ফিরতে ইনজেকশন নিয়েছেন তামিম।

গুঞ্জন রয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া দুই ডিস্ক ঘিরে ৩৪ বছর বয়সী এই ক্রিকেটারকে তিন থেকে চারটি ইনজেকশন দেওয়া হয়েছে। মূলত অস্ত্রোপচারের টেবিলেই ইনজেকশনগুলো দেওয়া হয়েছে। এ সময় বিসিবির প্রধান চিকিৎসক দেবাশীষ চৌধুরীও নাকি সেখানে উপস্থিত ছিলেন।

সাধারণত এই ইনজেকশন একটি নির্দিষ্ট সময় স্নায়ুকে নিস্তেজ করে রাখে। তবে তা কত সময়ের জন্য, সেটির নিশ্চয়তা দিতে পারেননি চিকিৎসকরা। ধারণা করা হচ্ছে, ২ বা ৩ মাস থেকে শুরু করে ৪ বা ৫ মাস পর্যন্ত ইনজেকশনের কার্যকারিতা থাকতে পারে। অনেকের ক্ষেত্রে এক মাসের মধ্যেও ব্যথা ফিরে আসে।

এদিকে ইনজেকশন ঠিকঠাক কাজ করতে শুরু করলে তামিমকে ৭ থেকে ১০ দিন বিশ্রামে থাকতে হবে। এরপর আস্তে আস্তে ফিটনেস ট্রেনিংসহ অনুশীলনে ফিরতে পারবেন তিনি। তবে আসল চ্যালেঞ্জটা অনুশীলনের পরপরই বোঝা যাবে, তখন ব্যথা ফিরলে আবারও আরেক ধাপে ইনজেকশন নিতে হবে তাকে। এতেও কাজ না হলে অস্ত্রোপচারই শেষ উপায়।

সব খবর